অধ্যয়ন একাডেমি (কম্পিউটার ও শিক্ষা কেন্দ্ৰ প্রাইভেট স্কুল ও কলেজ। W.app.+8801626555821. হাতেখড়ি হইতে মাষ্টার্স পর্যন্ত প্রাইভেট (সকল বিষয় পড়ানোর (এস এস সি/এইচ এসে সি স্পেশাল কোচিং) জন্য একটি আদর্শ প্রতিষ্ঠান। চার্জ - ৫০০ টাকা হইতে ১৫০০ টাকা মাত্ৰ৷ শিক্ষা কার্যক্রম - ১০/১৫ দিন/মাস। ও ONLINE browsing (কম্পিউটার) সার্ভিস-CYBER cafe POWER POINT training. পটুয়াখালী, বাংলাদেশ। ৬/১,সবুজবাগ,(Anex new building-4fh floor) ফোন ০১৩২১৯০১১৫৯,০১৭০৬২১২৭৬১।

Comments

Popular posts from this blog

NOT LATE by international writer .SRABONSAGOR writtens

International writer.SRABONSAGOR shrine (By only Writtens) +++++++++++++++ SMILE trade-communications (STC). PATUAKHALI PHYSICS PRIVATE center (P3C) MAGNOLIA Beauty Purlour & Butics Shop(mbpbs) AtoZ varieties Stores. 6/1, Sabujbag, PATUAKHALI, Bangladesh. W.app.+8801706212761,+8801626555821. Teligram.+8801321901159. P3C-PATUAKHALI PHYSICS PRIVATE(center)-এ আপনাকে স্বাগতম-শুধুমাত্র পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ে S.S.C ও H.S.C.+ শ্রেণীতে A+ পাওয়ার জন্য মাত্র ১০০০ টাকায় প্রতি মাসে ১০/১২দিন মোট ন্যুনতম ৪-৬ মাস সিনিয়র কলেজ শিক্ষক কর্তৃক সরাসরি প্রাইভেট/কোচিং (অনলাইনে একই সুবিধা প্রযোজ্য) করতে ইচ্ছুক ছাত্র/ছাত্রীদেরকে নিন্মোলিখিত ঠিকানা কিংবা নম্বরসমূহ সহ LINK-এ যোগাযোগ করতে অনুরোধ করছি । বি.দ্র.LAPTOP & ANDROID mobile সহ স্বল্পমূল্যে মহিলাদের জন্য থ্রী-পীস বিক্রয় ও মহিলা কতৃক বিউটি পার্লারের যাবতীয় কাজ করা হয়। CONTACT Gmail. mi3480123@gmail.com. ss19712050@gmail.com. You Tube.123sec, sun-TV , real TV watch W.app. +8801782427468,+8801928435001. Teligram.+8801321901159. Address. Road # o6, House # 02(New building-5th floor) SABUJBAG,PATUAKHALI, BANGLADESH. ++++++++++++++ ছোট লেখা - ভুলে যাওয়া ভূলের কথা লেখক - শ্রাবণসাগর কেবলমাত্র মানুষের মধ্যে নয় বরং বলা যায় সকল প্রকার প্রাণীর মধ্যেই এই সমস্যাটি কম-বেশি বিরাজমান। হয়তো সেই সকল প্রাণীর ভূল গুলো আমাদের মানুষ নামের প্রাণীদের চোখে পড়ে না কিংবা সেগুলো তাদের মধ্যে কোন প্রভাব বিস্তার করে না ও করতে পারে না। তবে যে কেহই যাই ভূল করে বা করুক না কেন, তার ও তাদের মনে কিন্তু সেই প্রভাব থেকেই যায় এবং সেই ক্ষেত্রে পরবর্তী সময়ে তার সচেতনতা ও সতর্কতাও অনেক অংশে বৃদ্ধি পায়। একটি বাঘ হরিণের চেয়ে দ্রুতগামী প্রাণী হওয়া সত্ত্বেও সবসময় কিন্তু বাঘ হরিণকে শিকার করতে পারে না, কারণ ঐ ভূল।যার একইরকমটি ঘটে হরিণের বেলায়ও যে, তার একটু ভুলের জন্য যেখানে বাঘের থাবায় হরিণের জীবনটাই চলে যাওয়ার কথা তখন সেখানে তাকে কতটা নির্ভূল হয়ে দৌড়ে পালানোর কাজটি করতে হয়,সে কথা ভাবতেও বূক শিউরে ওঠার কথা অন্ততঃ মানুষের। মানুষের ক্ষেত্রে অবশ্য এইরূপ ঘটে অনেকাংশে কম কিন্তু ভূলের এই হিসাবটি কিন্তু মানুষের মধ্যে ছাড়া অন্য কোন প্রাণীর মধ্যে মোটেও নেই অন্ততঃ ভূলে যাওয়া বা মনে রাখার ক্ষেত্রে। ++++++++++++++ সত্য ঘটনা অবহেলা ও অমানবিকতা লেখক - শ্রাবণসাগর পৃথিবীতে শুধুমাত্র মানুষ ও প্রাণীদের মধ্যে এই চারিত্রিক গুণাবলীটি বিদ্যমান তাদের ব্যক্তিগত অবস্থা ও অবস্থান দক্ষতা,যোগ্যতা,চিন্তা.প্রয়োজনীয়তা ইত্যাদি বিষয়কে কেন্দ্র করে।বিশেষত: মানুষের মধ্যে বিরাজমান এই চরিত্রকে দোষ বা গূন কোন নাম বা বিশেষনে অভিহিত করা যায়.আমার জানা নেই কিন্তু এইটুকু অন্তত: আমার মত মনে হয় কারোরই অজানা নয় যে, পৃথিবীতে বসবাসরত যে কোন প্রাণী - মানুষকে তো অবশ্যই অবহেলা করার কোন সুযোগই নেই। সে হতে পারে অনেক সাধারণ কিংবা অসাধারণ ও অতিসাধারণ কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ, যেখানে ধণী বা গরিব ,স্বচ্ছল বা অস্বচ্ছল, উচ্চবিত্ত - নিন্মবিত্ত , যে কোন ধরনের বা ধর্মের ও গোত্রের কিংবা দেশের ও বয়সের মানুষ। এই লেখা ও পোস্টের সাথে সংযুক্ত ছবিগুলো দেখে অনেকে হয়তো অবাক হবেন এই ভেবে যে, কেন আমি এখানে এইসকল ছবি ও ভিডিও মানুষের কাছে প্রদর্শন করলাম এবং কি উদ্দেশ্যে?সে ক্ষেত্রে বলতে হয় কারণটা আর কিছুই নয়,স্রেফ এই কথাটি বলতে যে, একমাত্র মানুষেরাই পারে মানুষের প্রতি কতটা অমানবিকতা ও অবহেলা করতে,অন্য কোন মানুষের প্রতি, তার একটি বাস্তব ঘটনা ও চিত্র তুলে ধরতে।পশু-পাখীরাও যেখানে হয়তো হার মানবে মানুষের কাছে এইরূপ মনে হতে পারে কারণ মানুষের তো অন্ততঃ বোঝবার বা বোঝাবার সাধ্য আছে যা অন্যান্য কোন প্রাণীরই নেই । স্বীকার করছি পৃথিবীতে মানুষের এক এক জনের চিন্তা ও প্রয়োজনীয়তা এক এক রকম কিন্তু তাই বলে অন্য কোন মানুষের প্রতি তো আর অমানবিকতা ও অবিচার বা অন্যায় করে , তার বা তাদের প্রতি অবহেলা প্রদর্শন করে নিজের বা নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধি করার হীন মানসিকতাকে কারো সমর্থন করা ঠিক নয়।যেমনটি ঘটেছে আমার প্রতি আমার ভাই-বোন ও আত্মীয় - স্বজন দ্বারা অত্যন্ত নোংরা ভাবে।এখানে প্রদর্শিত ভিডিও বা ছবিগুলো যার প্রমাণ যে, মানুষ কতটা স্বার্থপর হলে এরূপ আচরণ ও কর্ম সম্পাদন করতে পারে নিতান্তই অন্যান্য মানুষের জীবন ও প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র কিংবা মূল্যবান জিনিসপত্র সমূহকে অবহেলা করে ও অমানবিক আচরণ করে। প্রদর্শনকৃত বাড়ীটিতে আমার দীর্ঘদিনের (১২বছর) বসবাস স্ত্রী ও দুই নাবালক পুত্র (চিত্রে উল্লেখ্য )নিয়ে অথচ সেই নাতিদীর্ঘ বসত ভিটা হতে আমাকে উৎখাত করে আমার পৈতৃক বসতবাড়ির জমি যার মূল্য বর্তমানে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা,বিনা পয়সায় কুক্ষিগত করার জন্য আমার ২ ভাই ও ২ বোন প্রায় ৩ বছর যাবত ঢেষ্টা করে ব্যার্থ হয়ে শেষমেস আমার ও আমার সন্তানদের প্রতি অন্যায ও অবিচার এবং মানসিক অত্যাচার করতে শুরু করে অমানবিক ভাবে।যার পরিণতিতে তারা বিশেষত: আমার একজন ঘুষখোর সরকারী কর্মচারী আত্মীয়ৈর উস্কানি ও প্ররোচনায় এবং তার অজস্র অবৈধ সম্পদ লুকিয়ে রাখার উদ্দেশ্যে আমার এই নিতান্তই সাধারণ বসতবাড়ির একেবারেই কাছঘেষে ১০ তলা একটি বহুতল ভবনের কাজ করতে শুরু করে,সে ক্ষেত্রে আমার কোন আপত্তি নেই কিংবা থাকবার কথাও নয় কারন এটা নিতান্তই তাদের নিজস্ব বিষয় কিন্তু সমস্যাটি এখানে যে তারা কি করে এমনতর একটি হটকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলো যে, এইরূপ একটি ঝুঁকিপূর্ণ বাড়িতে আমার পরিবার - পরিজন নিয়ে বসবাসরত অবস্থায় আমাকে বা আমার পরিবারকে অন্যত্র না সরিয়ে নিয়ে উল্লেখ্য বড় ভবন নির্মাণ করার জন্য আমার পরিবারের ৪ জন মানুষের জীবনকে অবহেলা ও উপেক্ষা করে চিত্রানুযায়ী বড়বড় ঝুঁকিপূর্ণ মেশিন ও পাইপ ইত্যাদি বসিয়ে, আমার পৈতৃক বাড়ি-ঘড় সম্পূর্ন বিধ্বস্ত করে আমার নিজ পরিবারের মানুষদের জীবন রক্ষার তাগিদে আমাকে বাড়ি ছাড়তে বাধ্য করে উৎখাত ও উচ্ছেদ করে ছাড়ে। বর্তমানে আমি প্রায় কপর্দকশূন্য হয়ে দিক্বিবিদিক জ্ঞান হারিয়ে স্ত্রী ও দুই নাবালক পুত্র সন্তান নিয়ে থাকা-খাওয়ার শেষ সম্বল ও বন্দোবস্ত বা পৈতৃক নিবাসটুকু পর্যন্ত হারিয়ে নিজ পরিবারের মানুষদের চক্রান্তের শিকার হয়ে চরম অসহায় ভাবে মানসিক দুশ্চিন্তা ও যন্ত্রনা ভোগ করে বলতে গেলে রাস্তার ফকির হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছি,তা আমার কখনোই কাম্য ছিল না, আমি ধারনাই করতে পারিনি যে, আমার আপন ভাই - বোন ও চরম দূর্নীতিবাজ ভগ্নিপতিদের কুপ্ররোচনা ও হীন মানসিকতার দরূন এবং তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থ চরিতার্থ করতে তারা তাদের নিজেদের আত্মীয় বা রক্তের সাথে এইরূপ বেঈমানি করে আমাকে লোভের বা লাভের বশবর্তী করে এমনতর কঠিন বিপদের সম্মুখীন করে নিজেদের ফায়দা লোটার কথা চিন্তা করতে পারে।তাই সভ্য সমাজের প্রতি আমার এই আবেদন যাতে আমার নাবালক দুই পুত্র সন্তানের জীবন রক্ষার স্বার্থে আমার নিন্মোলিখিত হিসাবে সমূহে আপনাদের নিজ সাধ্যমত অর্থ প্রেরণ করে সহায়তা করে আমাকে পুনরায় নিজ বাড়ি পূন:নির্মাণ করে আবার আপনাদের কাছে ফিরে আসতে পারি তার জন্য বিশেষভাবে শূভকামনাও দোয়া করার অনুরোধ করছি এবং সেই সাথে মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে সুষ্ঠু বিচার প্রার্থনা করছি যাতে করে আমার উল্লেখিত আত্মীয়-স্বজনদের অন্ততঃ এইটুকু শিক্ষা হয় যে, কোন মানুষকে কখনো অবহেলা করতে নেই এবং অন্যের সম্পদের প্রতি লোভ করা উচিত নয়, সর্বোপরি অন্য মানুষকে কখনো বিপদের সম্মুখীন করা বাস্তবে নিজের বিপদ ডেকে আনা ছাড়া অন্য কিছুই নয়। My Bank account details (online acct.) Name of the Bank - RUPALI BANK LIMITED, BANGLADESH. Name of account holder - MD.MONIRUL ISLAM(lecturer,physics) ACCOUNT NO - 5058011002517. Branch - DIBUAPUR,PATUAKHALI. W.app.no.+8801706212761. U support also by loan or any kinds of providings from any kinds on efforts at Bangladesh to international writer. SRABONSAGOR for belongs on life or implementation of any project to get benifits more than offered or demands. Then contact on W.app.+8801626555821,+880782427468. Gmail.ss19712050@gmail.com, mi3480123@gmail.com. Bikas.01928435001. Rocket.019203370913. Tap.01321901159. ++++++++++++++++ Focuses. CORRUPTIONS writer . SRABONSAGOR . In World overall every country this a contenginious as uncontrolled activationes and reactivationous avrivationes or motiones of humen being to live&life also by mostly seen in undeveloped or devloping countries much on various actions to earn money from illigal correspondences done.Specially here let at Bangladesh then everyone over 20yr. peoples may understood that collaborations of interaction between another person wants to get benefits from these if can made opportunity from any works or disgraceful manner with another one as relatives or neighboures by throughn or made to them adversity or danger of act on officially or lifes live.Though this country let last by Bangladesh is an islamic religious people's lives on largest parameterable society seen wise to known by everyone with partially lived on different kinds of religion inhabitants but seems their religious activities r made to shown only to men measurely by&for taken money from illigal procedures such as taken bribes much for nothing & fall another one in unexpected situations.Therefore described itselves in undescrbed evaluationes on businesses most(if do) +++++++++++++++ অধিকার বঞ্চিত শিক্ষা আরোহণ লেখক -শ্রাবণসাগর সমস্যাটি বৈশ্বিক এবং অত্যন্ত পুরোনো কিন্তু গুরুত্বপূর্ন, মানুষের মধ্যে বিরাজমান প্রাচীন সময় থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন আঙ্গিকে। যদিও ব্যাপারটিতে মানুষের অধিকার থাকবার কথা সম্পূর্ণরূপে এবং সেই অনুযায়ী মে কোন দেশের নাগরিকদেরকে এই সুযোগে কিংবা সুবিধা করে দেওয়ার কথা সেই সকল দেশের সরকারের।সে ক্ষেত্রে এটিও সত্য যে, সেটা অবশ্যই তারা যে যার যার সাধ্যমতো করে করে থাকে এবং করেও আসছে। অথচ এর পড়েও মানুষের শিক্ষা আরোহণ করা কেন এত জটিলতর সেই আলোচনা করতে গিয়ে সর্বপ্রথম মে প্রসঙ্গটি চলে আসে, সেটা হলো এই যে বর্তমান পৃথিবীতে বসবাসরত মোট মানুষের মধ্যে কত শতাংশ মানুষ শিক্ষিত এবং তার মাঝে আবার কত শতাংশ মানুষ উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত? মনে হয় না মে এই সংখ্যাটি অনেক বেশি হবে, তবে সেটা আর যাই হোক উভয় ক্ষেত্র মিলিয়েও কিছুতেই ১০০ শতাংশ মানুষ শিক্ষিত সেই কথা বলা যাবে না এবং সেটা কখনোওই হবে বলেও মনে হয় না, অথচ সেটাই কিন্তু হওয়ার কথা ছিল, অন্ততঃ এই বিষয়টিকে মানুষের মৌলিক অধিকার বিবেচনা করা হওয়ার কারণে। শুধু শিক্ষার কথা কেন?বলা যায় অন্যান্য মানুষের সকল মৌলিক অধিকার গুলোও আসলে স্ব-স্ব ভাবেই অর্জন করতে হয় পৃথিবীতে,যেখানে সরকার মূলতঃ সহায়ক ভূমিকা পালন করে এবং তদারকি করে থাকে ।এ ক্ষেত্রে মানুষের সরকারের উপর কোন নির্ভরতা থাকে বলে মনে হয় না,যদিও উন্নত বিশ্বের কিছু কিছু দেশ হয়তো সহযোগীতা একটু বেশি করে থাকে কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিষয়গুলো সকল মানুষের ব্যক্তিগত অধিকার রৃপেই পরিগণিত হয় ।স্বীকার করতে বাধা নেই যে,এগুলো অর্থাত অন্ন,বস্র,বাসস্থান ও চিকিত্সার মত গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক বিষয়গুলো সকলের ব্যক্তিগতভাবেই পূর্ণ বা পুরন করা প্রত্যেকটি মানুষের দায়িত্ব ও কর্তব্য,তাদের ব্যক্তিগত অবস্থান ও অবস্থার উপরে ভিত্তি করে কিন্তু শিক্ষার বিষয়টি তো মনে হয় একটু ভিন্ন । আশার কথা এই যে,পৃথিবীর মানুষ কিন্তু সেই ক্ষেত্রে মোটেই হাত-পা গুটিয়ে বসে নেই,সেই প্রাচীন সময় থেকেই ।তবে এইসব ক্ষেত্রে মানুষের নিকটে প্রত্যেক সরকারের ভূমিকা ও কার্যকারিতা অবশ্যই স্পষ্ট করা বা হওয়া উচিত কিন্তু মনে হয় না সেই রকমের কোন অবস্থান এযাবত্ কালের বিশ্ব তথা বিশ্বের কোন মানুষ তার নিজের দেশ তথা সরকারের কাছ থেকে পেয়েছে কিংবা ভবিষ্যতেও কেহ পারে ।আসলে এখানে এই কথা অবশ্যই বলা যায় যে, কোন দেশ বা সরকারের উপরেই কোন মানুষের কোন ভরসা বা আশা-আকাঙ্ক্ষা ইত্যাদি নেই এবং এই কথাও সত্যি যে,তাদের কোন নিশ্চয়তাও নেই বরং যে কোন দেশের মানুষের এই সরকার গঠনের বিষয়টিও কারো কারো ব্যক্তিগত স্বার্থের হাসিল করে থাকে ।তাছাড়া সরকারের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন স্তরের মানুষের সীমাহীন দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতা,স্বজনপ্রীতি ইত্যাদি যাবতীয় বিষয় বলা যায় মানুষের ঐসব মৌলিক অধিকার বা চাহিদা কেন্দ্রীক'ই হওয়ায় সকল মানুষে সমান সুযোগ - সুবিধা পায়না ও পাবেও না কখনও ।আর শিক্ষার ব্যাপারটা যে ভিন্ন সে কথা তো আগেই বলা,কারণ পৃথিবীতে এই এমনতর অবস্থা সত্যিই অনেক পুরনো যে,মানুষকে তাদের শিক্ষা গ্রহণ অবশ্যই স্ব-স্ব উদ্যোগে এবং নিজস্বভাবে করতে হচ্ছে বা হয় ও হবে চিরকাল ।কারণ এখানে এর কোন বিকল্পের সন্ধান কেহ পেয়েছে কি-না কারো জানা নাই,যদি সেই রকমটিই না হতো তাহলে সমগ্র বিশ্বের কোন ছাত্র - ছাত্রীকে পরিবারের আর্থিক অনিষ্ট করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বা ভিন্ন কোন শিক্ষকের শরনাপন্ন হয়ে প্রাইভেট কোচিং করতে বা পড়তে হতো না । আসলে এই শিক্ষার সাথে সম্পৃক্ত যেহেতু প্রতিটি মানুষের জীবন তাই এই বিষয়ে কেহ কোন হেলা - ফেলা করতে পারে না ।এখানে শিক্ষা বলতে কিন্তু শুধুমাত্র বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ হয়ে কিছু সনদপত্র সংগ্রহ করাকে বোঝায় ,সেটা কিন্তু নয়।কারণ শিক্ষা মূলতঃ মানুষের জীবনের সীমাহীন একটি কার্যকলাপ,এখানে জানা বা বোঝা তো বটেই তার সাথে জড়িত থাকে প্রয়োগ ও দক্ষতা বা উচ্চ দক্ষতার মত আরোও অনেক বিষয়,থাকে জীবন যাপনের মত অত্যন্ত সংবেদনশীল ও প্রয়োজনীয় বা মূখ্য একটি বিষয়।অবশ্যই বাংলাদেশের দুখুমিয়া বা কাজী নজরুল ইসলাম কিংবা আরুজআলী মাতুব্বরের মত চরম অর্থনৈতিক দৈন্যতা ও অস্বচ্ছলতা নিয়ে সাধারণভাবে এখন আর মানুষেরা শিক্ষা বা জ্ঞান অর্জনের পথে চলে না বা চলতেও চায় না এবং সেটা সম্ভবও নয় কারোরই পক্ষে অর্জন করা।কেন?সেই কথা বলার নিশ্চয়ই এখন আর কোন প্রয়োজনীয়তা দেখছি না,অবশ্যই সেটা কারোরই মোটেই না বোঝবার বা বোঝাবার কথা নয়,ধরুন যদি একজন সাধারণ যে কোন মানুষকে একটি কম্পিউটার বা এরোপ্লেন দেওয়া হয় ব্যবহার করতে,তাহলে সে কি সাথে সাথেই এটা ব্যবহার করতে পারবে?যদি না তার সেটা পূর্বে জানা না থাকে ।অথবা ধরুন যে কাউকে বলা হলো কৃষিকাজ করতে কিংবা একটি ৫(পাঁচ)বছরের শিশুকে বলা হলো তার নিজের নাম-ঠিকানা লিখতে ।এইরকম করে আসলে পৃথিবীর সকল কাজের জন্যই শিক্ষার অবশ্যই প্রয়োজন এবং অনস্বীকার্য,অথচ অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় এই যে,এই শিক্ষা ও শিক্ষক কেন্দ্রিক সকল কার্যক্রমের মধ্যে বিরাজমান অসংখ্য অসংগতি,যেমন দেখুন-বিভিন্ন দেশের সরকারের বিভিন্নমুখী শিক্ষা কার্যক্রমে দুর্নীতি ও ফাঁকিবাজি, ছাত্র-শিক্ষক-অভিভাবকদের নকল প্রবনতা,নীতি ও আদর্শের স্খলন,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের বেতন-ভাতা নিম্নমানের হওয়া ,অযোগ্য জনবল নিয়োগ ও অপ্রয়োজনীয় কাজে অজস্র অর্থ অপচয় ইত্যাদি নানাবিধ কারণে পৃথিবীর মানুষেরা এখন শিক্ষাহীন বা অর্ধশিক্ষিত হয়ে জীবনযাপন করছেন । ++++++++++++++ ছোট প্রবন্ধ - এ কেমন প্রবৃত্তি!! লেখক-শ্রাবণসাগর প্রাচীন পৃথিবীর মানুষের জীবন যাপনের সঙ্গে বর্তমান সময়কার মানুষের অনেক তফাত,বিশেষত: আচার - আচরণ ও চিন্তা - ভাবনার দিক থেকে । কেননা উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা ও উন্নয়নের শীর্ষে অবস্থানরত বর্তমান সময়কার মানুষেরা পৃথিবীকে এখন হাতের মুঠোয় নিয়ে এসেছে । তাই সম্ভবতঃ এখন আর এইসব তুলনা করা সমীচীন নয়, কিন্তু বিষয়টি যেহেতু মানুষের ক্ষেত্রে আলোচ্য তাই পৃথিবীতে এযাবত কালে বসবাসকারী সকল মানুষের কথাই বিবেচ্য । ২০০ বা ৫০০ বছর কিংবা ২/১ হাজার বছরের পুরনো মানুষের কথা না হয় বাদই দেই কিন্তু ৫০/১০০ বছর আগেকার মানুষের জীবন যাপনের সম্পর্কে তো বোধকরি সবারই জানা । পার্থক্য বলতে সেই সময়কার মানুষেরা এতসব উন্নত সুযোগ - সুবিধা বঞ্চিত ছিল,যেমন-আকাশ পথ কিংবা রেল পথের বর্তমান ও পূর্বেকার অবস্থা অথবা নৌ পথের বর্তমান সার্বিক অবস্থা ইত্যাদি সবকিছু ছাপিয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাধ্যমে বিশেষতঃ এর আদান-প্রদান ক্ষেত্রে মানুষ এখন উন্নয়নের শীর্ষে অবস্থানরত সময় অতিক্রম করছে । মাত্র ২০/৩০ বছর আগেকার সময়ের টেলিফোন বা ডাক পিয়নের হাঁক - ডাক,সিনেমা,টিভি,ভিসিআর-ভিসিপি,ক্যাসেট প্লেয়ার,পত্র-পত্রিকা ও উপন্যাসের বই ইত্যাদির দৌরাত্ম এখন আর নেই,এইসব সকল পাবলিক মিডিয়া এখন বলা যায় একত্রিত হয়ে দিনকে দিন অত্যন্ত সহজলভ্য হয়ে মানুষের জীবনের সঙ্গে ওতেপ্রাত ভাবে মিশে গেছে হালের অনলাইন বা ইন্টারনেটের বদৌলতে । স্বীকার করতে বাধা নেই যে,এটি এযাবত কালের অতিক্রান্ত বিশ্ববাসির তথা মানব সভ্যতার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় একটি পাওয়া, কিন্তু প্রশ্নটি কিন্তু এখানেই যে,এই ব্যবস্থাটির ব্যবহার মানুষ কিভাবে করছে ? আশা করি প্রশ্নটির উত্তর প্রত্যেক অনলাইন বা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরই জানা অন্ততঃ নিজস্বভাবে তার ও তাদের নিজের কাছে,তাই এসব ব্যক্তিগত ব্যাপারে এখানে কথা বলবার কিছুই নেই । তবে যে কথা না বললেই বা না লিখলেও নয়,সেটি হলো এখানকার অপব্যবহার সম্পর্কে - বিশেষতঃ ইনস্টিগ্রাম,টেলিগ্রাম, ইউটিউব, ফেইসবূক,টুইটার,ইমো, হোয়াটসআপ,মেসেন্জার বা নির্দিষ্ট কিছু গুগল ওয়েব সাইটে অগনিত শিক্ষিত ও অশিক্ষিত মানুষেরা বিভিন্ন অনৈতিক ও অসামাজিক কার্যকলাপসহ বিভিন্ন উস্কানিমূলক অপপ্রচার ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কথা বলে মানুষকে হয়রানি করাসহ ব্যক্তিগত ও সামাজিক বিভিন্ন ধরনের অহেতুক ও অপ্রয়োজনীয় ছবি বা ভিডিও ইত্যাদি দেখছে কিংবা দেখাচ্ছে অকারণে ও অপ্রয়োজনে ,যে ব্যাপারে সকল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি করছি যাতে ঐসকল অসামাজিক কর্মকাণ্ড বা প্রবৃত্তিকে প্রতিহত করা হয় এবং শিক্ষামুখি ও ব্যবসায় ভিত্তিক কার্যক্রম সমূহে উত্সাহ প্রদান করে অনলাইনের প্রধান লক্ষ্য অর্জনে মানুষকে সহায়তা প্রদান করেন। ++++++++++++++ Only international writer.SRABONSAGOR operates 50+ FB I'd by adjoinint on 2.5K+ approx pages & groups with 20+ Twitter & 5+ Instgram acct.so anytime anyone's can be losted by much known therefore to makes self connectivity confirmation plz.join on made group&pages(special)below linked soon, if LIKED to reads more. Thanks by AUTHOR. https://www.facebook.com/groups/172440001689984/?ref=share https://www.facebook.com/profile.php?id=100079138800183 https://www.facebook.com/profile.php?id=100065125250030 https://www.facebook.com/profile.php?id=100071907052395 https://www.facebook.com/profile.php?id=100084286704295 https://youtube.com/@sec-xd2nb https://youtube.com/@RealTVwatch https://instagram.com/writer.srabonsagor3?igshid=ZDdkNTZiNTM= https://instagram.com/srbnsgr?igshid=ZDdkNTZiNTM= https://twitter.com/SrbnsgrS?t=OwIekEyTj8EOBqhcOpRjvg&s=09 https://twitter.com/srabonsagor380?t=xcdnaf41Q4HFThtnFml_vQ&s=09 https://twitter.com/ssmi60902008?t=mFMbdwtPkOZ8rRII9xd9VQ&s=09 https://www.facebook.com/groups/1146532649435236/?ref=share https://www.facebook.com/groups/1015643402496170/?ref=share ++++++++++++++ SMILE trade-communications.(STC).organized. now AVAILABLE here for GET to self only. W.app.+৮৮০১৬২৬৫৫৫৮২১,+৮৮০১৭০৬২১২৭৬১, +৮৮০১৭৮২৪২৭৪৬৮,+৮৮০১৭৭৯৩১০৪২৫ . ১.স্বল্পমূল্যে মহিলাদের থ্রী-পীস ও ওড়না ২.ছেলেদের গেঞ্জি ,সানগ্লাস ও বেল্ট ৩.বাচ্চাদের পোষাক ও খেলনা ৪.কম্পিউটার(অনলাইন সার্ভিস)সহ আ্যনড্রয়েড ফোন ও ল্যাপটপ বিক্রয় ৫.মহিলাদের জন্য মহিলাদের কর্তৃক পরিচালিত বিউটি পার্লার সার্ভিস ৬.ফুডস,কসমেটিকস এন্ড বেভারেজ । ৭.FOR GET A+ at S.S.C/H.S.C (physics & information technology only) কলেজ শিক্ষক কর্তৃক মাত্র ১০০০ টাকা/মাস প্রাইভেট/কোচিং। A to Z Varieties Stores SABUJBAG,PATUAKHALI,BANGLADESH. Mobile.01321901159,01928435001. +++++++++++++++ SADEST or REJOICES TREES. writer.SRABONSAGOR. Have you been seen like these as trees?Never can viewed by anyone as ever but if looks at nature on specially to humen being,then can finds them much&more on these kinds,where&their lived&survived by those option r avilable to finds of both circumstances on the level of sorrows&rejoicements as trees or birds alike,thus the trees r faces most storm,heats&colds of air with rain,forest destroying activities as there on looks at same condition asually seen in nature of humen life from adversity to sorrows with happyness too but the difficulties here that we don't&never likes these as ever&anywhere how to lives on as rich or poor in motion of belonges thus where if ones faces this situation makes us rendezvous more&therefore we may try to remove that unexpected condition by efforts on to looks an important differences betwin nature&humen takes a great roles to make up our happiness most may be defined that the nature've no power to remove sorrowes but we've this ability to builed up any person from any adversity with sorrowness of humen kinds by proclaim of ALLAH if kinds as any trees or lifes becomes made good by him only there we've no conciquences about that circumstances without watch or try to abstained also for makes free anyone like anything as lives here on earth,so conclusion that sads&joyes r comes from our several afterwards works not only but its may defined by creator planed most where as we&all r the sustained fellow to works done such for got that. ++++++++++++++ মতামত : আপনিও মত দিন। বাংলাদেশের তিন যুগের অপ্রতিদ্বন্দ্বী চিত্রনায়িকা - মৌসুমী (MOUSUMI) লেখক-শ্রাবণসাগর (writer. SRABONSAGOR) বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী অতিক্রান্ত ৫০/৫২ বছর সময়ের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশী সময় ধরে (প্রায় ৩০/৩২ বছর)চিত্রনায়িকা মৌসুমী(Mousumi) যেন এই দেশের একটি বৃহত্তম জনগোষ্ঠীর অত্যন্ত কাছের এবং অত্যন্ত জনপ্রিয়,অনিন্দিতা,প্রিয়দর্শিনি,অনির্বাণ,সুন্দরী অম্লান একজন তারকাখ্যাতি সম্পন্ন উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে কোটি কোটি মানুষের জীবনের সাথে প্রায় ওতেপ্রাতভাবে জড়িত হয়ে আছে অদৃশ্যভাবে । বোধকরি এতটা জনপ্রিয় কিংবা পরিচিত ও আকাঙ্ক্ষিত,আকর্ষণীয় কোন ব্যাক্তি (২/৪জন বাদে) এই দেশে অদ্যাবধি বা ভবিষ্যতে আছে কিংবা আসবে কি-না সন্দেহ আছে,কথাটিতে আপনিও হয়তো একমত হবেন । কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে কেন বা কীভাবে,কি কারণে অভিনেত্রী মৌসুমীর এই আকাশ ছোঁয়া চুম্বকীয় আকর্ষণ বাংলাদেশ ও বহির্বিশ্ব অবধি?এইদেশে তো তার আগে বা পরে অনেক অনেক চিত্রনায়িকার আবির্ভাব ঘটেছে ও ঘটবে,তাহলে মৌসুমীর মাঝে এই দেশের মানুষেরা কি এমনটি দেখেছে বা খুঁজে পেয়েছে,যার কারণে তার এই অসম্ভব অর্জন?এর মূলে অবশ্যই তার একমাত্র রূপ-সৌন্দর্য নয় কিংবা চলচ্চিত্রের অভিনয়,কারণ এই দুইটি বৈশিষ্ট্য পূর্ণ ব্যক্তিরই কোন অভাব নেই এইদেশে বা তা ছিলোও না কখনও । নায়ক রাজ রাজ্জাক-শাবানা,কবরী,ববিতা,রোজিনা বা আলমগীর বাদে যেমন- প্রায়ত জাফর ইকবাল,সালমান-শাহ ,বর্তমানের শাকিব খান বা শাবনুর,পূর্ণিমা,প্রভা,বুবলি বা নুসরাত ফারিয়া -এদের কারোরই সৌন্দর্য বা অভিনয় প্রতিভা ইত্যাদি কম ছিল না বা নেই অন্ততঃ নায়িকা মৌসুমীর তুলনায়,তাহলেও কেন এবং কি গুণের কারণে এই অভিনেত্রীর প্রতি বাংলাদেশের মানুষের এই এত হৃদয় ছোঁয়া অনুভূতি ও টান?আজকের এই লেখায় সেই কারণটি উদঘাটন করাই হলো মূল উদ্দেশ্য ,আশা করি এই প্রশ্নের উত্তর পেলে হয়তো অনেকেই এই মতামতের প্রসঙ্গে একমত পোষণ করবেন ।ব্যাক্তিগত ভাবে আমার মত কয়েক কোটি মানুষ আছে বিশ্ব কিংবা বাংলাদেশে যারা অভিনেত্রী মৌসুমীকে চেনেননা মোটেই বা জানেন না তার ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে কিন্তু কী এক অদৃশ্য মায়ার অনুভূতির বন্ধনে এই অচেনা - অজানা মানুষটি হয়ে রয়েছে হ্রদযের অনেক কাছাকাছি কোন মানুষ হয়ে,তার অনবদ্য সৃষ্টির মাধ্যমে ।অস্বীকার করা যাবে না যে,এক্ষেত্রে রূপ বা সৌন্দর্যের কোন ভূমিকা নেই বা ছিল না কিন্তু এর বাইরেও যে মানুষের কিছু কিছু চাওয়া-পাওয়া থাকে,যে কোন মানুষের,সেটার গুরুত্বও মনে হয় না অগ্রাহ্য করা যায়,যাকে বলে নিঃস্বার্থ ভালোবাসা।হয়তো চিত্রনায়িকা মৌসুমীর মাঝে এই দেশের মানুষেরা এমনতর কিছু একটা খুঁজে পেয়েছে যার পরিনতিতে আজ তার এই পাওয়া । এর মানে অবশ্য দাঁড়ায় কাজকে ভালোবাসা বা প্রধান্য দেওয়া,সে ক্ষেত্রে অবশ্যই নায়িকা মৌসুমী ১০০ ভাগ সফল বলে মনে হওয়ায় বাংলাদেশের মানুষের কাছে তার এই গ্রহণযোগ্যতা । ++++++++++++++ বিশেষ নিবন্ধ: বাংলাদেশের সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর পক্ষে : একজন স্ব(সু)অ-শিক্ষিত মানুষের কথা - লেখক - শ্রাবণসাগর(writer.SRABONSAGOR) মানুষটি বাংলাদেশের চরাঞ্চল খ্যাত বরিশালের বর্তমান মাননীয় মেয়র মহোদয়।যার নিজের পরিচয় তিনি নিজেই দিয়েছেন । অসাধারণ অনন্য গুণের এই প্রতিভাবান মেধাবী মানুষটিকে একবার দেখেই যে কোন মানুষের আকৃষ্ট হওয়ার কথা, বিশেষত: তার কর্মকাণ্ড বা কাজের মাধ্যমে। তার নিজের দেওয়া তথ্যমতে যাকে তিনি নিজে শিক্ষার মানদন্ডে স্বশিক্ষিত বলে উল্লেখ করেছেন ইতোপূর্বে। অথচ কতটা সচেতন ও বাস্তবধর্মী হলে যে একজন মানুষের পক্ষে সুশিক্ষিত হওয়া সম্ভব, তার উপুর্যপরি প্রমাণ দিয়েছেন তিনি,তার কথা ও কাজে। তার অভাবনীয় ভাবনা ও অকৃত্রিম সহানুভূতি মানুষকে সত্যিই আশ্চর্যন্বিত করেছে বিশেষত: বরিশাল বাসীদেরকে। তিনি নিজের মুখেই বলেছেন যে, তিনি জীবনের একটি সময় একেবারেই একা ছিলেন, নিঃসঙ্গ। বর্তমানের এই অবস্থানে আসতে তার নিজেকে প্রমাণ করতে হয়েছে। মানুষের ভূল বিগত দিনের সকল ধরনের ধারণাকে পাল্টে দিয়ে আজ তিনি এই অঞ্চলের মানুষের দুই নয়নের মণি। নীতি ও আদর্শের প্রতিক , অন্যায়ের বিরুদ্ধে শক্ত হাতিয়ার। অনেকে বলেন যুব সমাজের অহংকার কিন্তু মনে হয় তার চেয়েও অধিক কোন কিছু।গরীব-দূখী , অসহায়,অসূস্হ কিংবা মে কোন ধরনের একজন সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের প্রতি তার যে বিশাল হৃদয়ের দূর্নিবার আকর্ষণ অনির্বাণ,সে কথা এখন সর্বজন স্বীকৃত।যেই গূণটি এর আগে বাংলাদেশের মানুষ অবলোকন করেছে জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মধ্যে। দিনের আলো, রাতের আঁধার কিংবা রোদ- ঝড়-বৃষ্টি, তুফান সবকিছু উপেক্ষা করে তিনি গণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন সকল বিপদ-আপদ ও সূখ-দূখে চিরদিন। স্বাধীনতাত্তোর ৫০ বছর পরে এ যেন বঙ্গবন্ধুর আদলে তার ঘনিষ্ঠ কোন আত্মীয়ের মাধ্যমে তারই একটি প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে মানুষের মাঝে সমগ্র বাংলাদেশে। অনেকে হয়তো ভাবছেন এটা একটু বেশি বলা হলো, হবে হয়তো কারণ নানা-নাতির বিশাল পার্থক্য শিক্ষায় কিন্তু এই কথাটি তো সত্য যে, তাদের উভয়ের আচরণগত সাদৃশ্য ও সাহসীকতা,সারল্য কিংবা মানুষের প্রতি মমত্ববোধ, ভালোবাসা ইত্যাদি ক্ষেত্রে অনেকটা মিল খুঁজে পাওয়া যায়। হবে হয়তো একদিন এই বাংলাদেশের আজকের বরিশালের তারুণ্যের অহংকার খ্যাত সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বঙ্গবন্ধুর মত বাংলাদেশের অন্যতম কর্নধার, এমনটি হওয়ার মোটেই সম্ভাবনা নেই এই কথাটি তো আর বলা যায় না,তাই বলছি - দয়া করে এইরূপ একটি সৎ ও সাহসী মানুষের কেহ খোঁজ পেলে বর্তমান বাংলাদেশে অবশ্যই লেখক-শ্রাবণসাগর কে অবগত করবেন, তার বা তাদের অর্থাৎ তাকে নিয়ে লেখার জন্য By search NAME on Google, Gmail, Facebook, Instagram, YouTube , Teligram or W.app on mobile to +8801706212761,+8801626555821,+8801782427468.অবশ্যই তার ব্যক্তিগতভাবে সামাজিক positive গ্রহণযোগ্যতা ও দৃষ্টিভঙ্গি হতে হবে মানুষের উপকারার্থে সমর্পিত ও জনগনের প্রকৃত বন্ধু হিসেবে স্বীকৃত, হোক সে সু-স্ব-বা অ-শিক্ষিত কোন ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠান। https://www.facebook.com/groups/907407870512890/?ref=share +++++++++++++++ বিশেষ নিবন্ধঃ শিক্ষায় ও মানব জীবনে ভাষার গুরুত্ব ও ব্যবহারঃ লেখকঃশ্রাবণসাগর পৃথিবীতে বসবাসরত প্রায় সহস্র কোটি মানুষের মাঝে ব্যবহারিত ভাষার সংখ্যা কত?বোধকরি সেটা ধারণা করাও অনেক মানুষের সম্ভব নয়,কেননা যেখানে সেই প্রাচীনকাল থেকে অদ্যাবধি প্রায় ৫/৬ শত জাতির মানুষের বসবাস বা সন্ধান পাওয়া যায় এবং সেক্ষেত্রে অবশ্যই এই ভাষার ব্যবহার ও সংখ্যাও অবশ্যই এর চেয়ে নিতান্তই খুব বেশি বা কম হওয়ার কথা নয়।যদিও প্রচলিত ভাষা বলতে হয়তো ২০/৫০ টি-ই প্রধান, যেমন -ইংরেজি যার মধ্যে অন্যতম এবং যাকে মানুষের প্রধান ভাষাও বলা যায় অনায়সে। এছাড়াও- চাইনীজ,হিন্দি, রুশ,স্প্যানিশ,পর্তুগিজ,ওলান্দাজ,আরবী,ফার্সি,উর্দু,জাপানিজ,কোরিয়ান,বার্মিজ,মালয়,ইন্দো,আফ্রিকান অনেক ভাষাসহ ভারতীয় উপমহাদেশের একটি বিশাল অংশে ব্যবহ্রত বাংলা ভাষা ইত্যাদির কথা সকল মানুষেরই জানা।মূলতঃএই ভাষার ব্যবহার প্রতিটি মানুষের জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অনস্বীকার্য, এবং এটা প্রত্যেক মানুষেরই প্রাপ্তি ঘটে প্রথমতঃ তার নিজস্ব মাতৃভাষার থেকে।পরবর্তীতে যদিও অনেকে শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা গ্রহণের মাধ্যমে হয়তো আরও অনেক বা কিছু ভাষা রপ্ত করতে পারে বা করে কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সকল মানুষেরই জীবনে মাতৃভাষার প্রভাব থাকে অনেক বেশি। একজন কানাডিয়ান বা কোরিয়ান মানুষ যদি রাশিয়া বা জাপান যায় কিংবা ধরুন বাংলাদেশে আসেন বা বাংলাদেশের কেহ ঐসব দেশে যায়, তাহলে তারা যে যতই শিক্ষিত হোক না কেন, তাদের পক্ষে ঐসকল দেশের মানুষদের সাথে খাপ খাইয়ে চলতে বিশেষতঃভাষার ব্যবহার মাধ্যমে সমসাময়িক হয়ে উঠতে পারা প্রায় অসম্ভব। যদিও সময়ের ব্যবধানে কিংবা সময় সাপেক্ষে এর কিছুটা পরিবর্তন ও উন্নয়ন ঘটে কিন্তু তারপরও প্রত্যেকের জীবনেই মাতৃভাষার প্রভাব থাকে অপরিসীম। এইতো গেল জীবনের কথা কিন্তু শিক্ষার ক্ষেত্রে বা শিক্ষার বিষয়ে বলতে গেলে এই ভাষার বিষয়টি উপলব্ধি বা পরিলক্ষিত হয় চরমভাবে,যেখানে হয়তো অনেকেরই শিক্ষা গ্রহণ পর্যন্ত ব্যহত হয় কিংবা বঞ্চিত হতে হয় শিক্ষা গ্রহণ থেকে। কারন এক কথায়-সকল ভাষাতে শিক্ষা গ্রহণ পদ্ধতি বিশেষতঃ উপকরণ যেমন - বই বা এই জাতীয় সামগ্রীসমুহ এক নয়,যেমনটি সচারচর দেখা যায় কিছু কিছু বিষয় যেমন -দর্শন,অর্থনীতি,মেডিকেল-ইন্জিনিয়ারিং বা গনিত-পদার্থবিদ্যা বিষয়গুলো অধ্যায়নের ক্ষেত্রে।এছাড়াও কিছু কিছু বিষয় আছে যেমন -ডিজিটাল ইলেকট্রনিকস, এয়ারোনোটিকস,ইনফরমেশন টেকনোলজিস ইত্যাদি বিষয় সমূহ অধ্যায়নের ক্ষেত্রেও সচারাচর বই-পুস্তক বা পত্র-পত্রিকার যথেষ্ট অপ্রতুলতা ও দক্ষ জনবলের অভাবে সকল দেশের বিশেষতঃ অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশ সমুহের মানুষদের যথেষ্ট ভোগান্তির সম্মুখীন হতে হয়। হয়তো এই কারনেই পৃথিবীতে এযাবৎকালে নোবেল পুরষ্কার বা এই জাতীয় অনান্য পুরস্কার পাওয়ার ক্ষেত্রেও ঐসকল দেশের মানুষেরা এতটা পিছিয়ে আছে ও থাকে। তাছাড়াও প্রতিটি দেশেই রয়েছে তাদের নিজস্ব শিক্ষা নীতি ও কারিকুলাম বা ব্যবস্থা, যা মূলতঃ তাদের দেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটের ভিন্নতার কারণেই গঠিত হয়ে থাকে,কিন্তু এক্ষেত্রে বা এই কারনে তো শিক্ষা ব্যবস্থার এহেন দ্বৈত বা ভিন্নমুখী নীতি প্রনয়নের কোন প্রয়োজনীয়তা আছে বলে মনে হয় না। কারন শিক্ষা যেহেতু একটি মানুষের মৌলিক অধিকার এবং বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে এই বিষয়টি অবশ্যই সকল দেশের সকল মানুষের জন্যই একীভূত করে সম্পাদিত হওয়ার কথা এবং এক্ষেত্রে অবশ্যই বিভক্তি বা বিভাজিত হওয়ার কোন সূযোগই নেই অথচ বলতে গেলে সেটাই ঘটছে মানুষের জ্ঞান-বিজ্ঞান বা শিক্ষা আরোহনের ক্ষেত্রে,তাদের অধিকার ক্ষুন্ন করে। এমনকি আন্তর্জাতিক ভাষা ইংরেজি শিক্ষা গ্রহণ বা অর্জন ক্ষেত্রেও থাকে সীমাহীন ব্যর্থতা, দূর্বলতা বা উদাসীনতা, তাইতো তারা যে কোন একটি দেশের মানুষ ভিন্ন কোন একটি দেশ বা সমাজের সাথে নিজেদেরকে যুক্ত করতে পর্যন্ত পারেনা,মেধা ও মননশীলতায়, গূণ বা আচরণে। যদিও অনেকে হয়তো এক্ষেত্রে মনে করতে পারেন যে,বর্তমান বিশ্বে ভাষার এই এহেন বিভ্রাট ও পার্থক্য আসলে কোন বিশাল কোন সমস্যাই নয়,কেননা ইচ্ছে করলেই তারা বিষয়টিকে ভাষার রূপান্তর বা অনুবাদ করে নিতে পারেন অনায়াসে কিন্তু এই করে কি আসলে কোন স্হায়ী সমাধান সম্ভব হয় বা হতে পারে মোটেই? মনে হয় না, তাই বলে তো আর তাদেরকে অনেক ভাষা রপ্ত করার কথাও বলা যাবে না, তাই অন্ততঃএইটুকু বলা যায় যে,সবাইকে আর কিছু না হোক যে করেই হোক আন্তর্জাতিক ভাষা ইংরেজি শিক্ষা গ্রহণে সচেষ্ট হতে হবে বা জোর দিতে হবে,যার জন্য প্রতিটি দেশের সরকারের যথেষ্ট ভূমিকা থাকতে হবে বলে মনে করছি। +++++++++++++++ প্রবন্ধঃ অন্য রকম ভাবনা লেখক : শ্রাবণসাগর এক একজন মানুষের এক একরকমের ভূমিকা থাকে জীবনের ক্ষেত্রে বিশেষতঃ সামাজিক উন্নয়ন তথা দেশ ও জাতির জন্য কিংবা বিশ্বের বিভিন্নমুখী মানোন্নয়ন করতে ।জন্ম থেকে শুরু করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে তাদের সবাইকেই মুখোমুখি হতে হয় বিভিন্নমুখী সমস্যার,আর এসবের মধ্যে থেকেই তারা দিনে দিনে বাড়তে থাকে জীবনের মানোন্নয়ন করে ।কেহ হয়তো পড়াশোনা করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চেষ্টা করে কিংবা করে থাকে আবার কেহ কেহ হয়তো পড়াশোনাই করতে পারে না,বিভিন্নমুখী অন্তরায় সৃষ্টির কারণে । তারা হয়তো তাদের জীবনকে অন্যভাবে,বিশেষতঃ কাজের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত করতে চেষ্টা করে । স্বীকার করতে বাঁধা নেই যে,পৃথিবীতে কোন কাজই ছোট নয় ,যেমন ধরুন-একজন নরসূন্দরের কাজ কিংবা ছুতোর,মিস্ত্রি,ছোট - বড় গাড়ীর ড্রাইভার বা অফিসের পিয়ন,আয়া ইত্যাদি । যেহেতু সকল মানুষের শিক্ষা গ্রহণ করা কিংবা জ্ঞান অর্জনের মান কখনওই সমান হয় না,তাই তাদের অবস্থান ও জীবনের মানদণ্ডও কখনোই সমান হতে পারে না। একজন সাধারণ দিন মজুর কিংবা দোকানের মালিক ও একজন সুপারশপ বা শিল্প-কলকারখানার মালিকের মন মানসিকতার পার্থক্য অবশ্যই থাকে । যদিও মানুষ হিসেবে এদের কারোর মধ্যেই তেমন কোন তফাত বিদ্যমান নেই,কিন্তু এদের আচার আচরণ ও বৈশিষ্ট্যকে গুরুত্ব দিয়ে অবশ্যই এদের মধ্যে পার্থক্য করা যায় । শিক্ষা,অশিক্ষা,কু-শিক্ষা,অর্ধ-শিক্ষা,কূপমন্ডুকতা ও নৈতিক শিক্ষা গ্রহণের যে বিষয়গুলো মানুষের সমাজে প্রচলিত আছে প্রাচীন কাল থেকে,মানুষ ইচ্ছা করলেও সেই বেড়াজাল থেকে বের হতে পারছে না । কিন্তু আসল বিষয়টি অন্যখানে যে,এই যে মানুষে মানুষে এত বিস্তর তফাত,যার কথা অনেকটা সংক্ষেপে বলা হলো এতক্ষণ,এটি কি সত্যিই পরিলিক্ষিত বা দৃষ্টিগোচর হয় বিশ্বের সর্বত্র মানুষের মধ্যে,বিশেষতঃ বাংলাদেশের মানব সমাজে?সম্নান কিংবা অবস্থানগত দিক থেকে তো নয়ই যদি অর্থগত দিক থেকেও বিবেচনা করা হয়,তাহলে দেখা যায়-এইদেশের বেশিরভাগ মানুষেরাই অশিক্ষিত বা অর্ধশিক্ষিত হওয়া স্বত্ত্বেও তারা যেকোনোভাবে যেমন,ঠিকাদারি,দোকানদারী,গাড়ীর সুপারভাইজার-হেল্পার বা ড্রাইভারী ইত্যাদি নানা রকমের কাজ-কর্ম বা দালালি,রাজমিস্ত্রিগিরি,অভিনয় বা খেলাধুলা,গান-বাজনা, রাজনীতি,স্মাগলারী-দুই নম্বরী,অবৈধ ব্যবসা,মাস্তানী-গুন্ডামি-ভণ্ডামি ইত্যাদি করে রাতারাতি অজস্র অর্থ-সম্পদ বা গাড়ী-বাড়ীর মালিক হয়ে যায় । যদিও এখানে এসবের আলোচনা করা মূলত আসল উদ্দেশ্যে নয় কারণ মানুষের কাজের ক্ষেত্রে তার বা তাদের নিজস্বতার একটি স্বাধীন ও বৃহত্তর ভূমিকা রয়েছে ও থাকে,যাকে কোনোভাবেই উপেক্ষা করা সম্ভব নয়,কিন্তু এখানে যে বিষয়টি মূলতঃ মানুষের কাছে তুলে ধরার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস সেটা হলো মানুষের মূল্যবোধ বা মূল্যায়ন সম্পর্কিত কথা। যেখানে একজন সাধারণ দিন মজুর বা কোন অশিক্ষিত ব্যক্তি যে কোন ধরনের একটি কাজের মাধ্যমে গড়ে প্রতিদিন বাংলাদেশে বর্তমানে ২-৫ হাজার টাকা বা আরও বেশি টাকা উপার্জন করতে পারে বা করে থাকে,সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে,সেখানে কোন উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তিও এই পরিমাণ অর্থ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তার মাসিক বেতন ভাতা হিসাবে গ্রহণ করতে পারেন না। হয়তোবা কাজের বিভিন্নতার জন্য কিছু কিছু ক্ষেত্রে এইরূপ তারতম্য পরিলক্ষিত হয় বা হতে পারে কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তো এইদেশে এটাই অত্যন্ত স্বাভাবিক ঘটনা ।যেমন ধরুন,বাংলাদেশের একজন স্কুল-কলেজ বা মাদ্রাসা শিক্ষকের কথা,যাদের মাসিক বেতন - ভাতা দেওয়া হয় ২০-৩০ হাজার টাকা মাত্র,অথচ তাদের এই চাকুরি অর্জন করতে পূর্বে-পর কতটা সময় ও সাধনা(শিক্ষা গ্রহণ) কিংবা অর্থ খরচ করতে হয়,সেটি একমাত্র তারা নিজেরাই জানেন । এই এত কিছুর পরও তাদের কারোরই কিন্তু প্রতিদিনের গড় আয় এখন পর্যন্ত কোনক্রমেই উল্লিখিত ২ হাজার টাকায় উন্নিত হয় না কিংবা খুব শীঘ্রই সেটা হবে বলে মনে হয় না।তাহলেই ভাবুন,যে কেন এইদেশের মানুষেরা শিক্ষার প্রতি আকৃষ্ট হবে?তার উপরে শিক্ষা পরবর্তী সময়ে চাকরি প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তাময়তা,বিশাল অংকের ঘুষ লেনদেন ও স্বজন প্রীতি ইত্যাদি নানা বিষয় তো আছেই। অন্য দিকে শিক্ষাহীন বা অর্ধশিক্ষিত ব্যক্তিদের কিন্তু এসবের কোন বাঁধাই নেই জীবনের ক্ষেত্রে, বিশেষতঃ জীবন যাপন বা আয় করার ক্ষেত্রে,ছোট-খাটো একটি চায়ের দোকান কিংবা কোন সরকারি-বেসরকারি অফিস বা ব্যাংকের পিয়ন-গার্ড-আয়া ইত্যাদি হতে কাউকে অবশ্যই উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হয় না,অথবা রিকশা-গাড়ী-অটো-সিএনজি ইত্যাদি চালাতে,অথচ একটু খেয়াল করলে দেখবেন,এদের কারোরই উপার্জন উল্লিখিত ঐসকল শিক্ষিত ব্যক্তিদের চেয়ে কম নয়,প্রকারান্তরে অনেক অনেক সরকারী অফিসের একজন পিয়নও একজন উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত ব্যক্তির চেয়ে বেশি বেতন পায় কিংবা আয় করেন,পুলিশের কথা না হয় বাদই দিলাম,কি করে?সেটা অবশ্যই কারোরই অজানা নয় । অনেকেই হয়তো ভাবছেন যে,কেন এখানে এইসব কথা বলা হচ্ছে?উদ্দেশ্যে বা কারণ একটাই যে,বাংলাদেশে এখন উচ্চ শিক্ষার হার ক্রমশঃ কমে যাচ্ছে কিংবা এর প্রতি মানুষের আকর্ষণ কমে গেছে,কারণ মূল্যায়নের দিক থেকে কেবলমাত্র ডাক্তার,ইঞ্জিনিয়র বা উচ্চ পদস্থ সরকারী-বেসরকারি এনজিও বা প্রাইভেট কোম্পানির কর্মকর্তারা ব্যতীত অন্যান্য সকলের অবস্থা বা অবস্থান এতটাই নিম্নমানের যে,তাদেরকে একজন সাধারণ রিকশাওয়ালার সাথেও(আয়ের দিক থেকে)তুলনা করা যায় না,আর উচ্চশিক্ষিত বেকার মানুষেদের কথা তো ভাবতে গেলেও কান্না পায়,দুঃখ লাগে,মায়া হয় -যে কেন তারা এতটা কষ্ট করে,বাবা-মায়ের কষ্টার্জিত অর্থ খরচ করে দিন-রাত পরিশ্রম করে পদার্থবিজ্ঞান,রসায়ন,গনিত,অর্থনীতি বা এইরকম যে কোন দুর্বোধ্য সব বিষয়ে পড়াশোনা করে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়েছে কিংবা হচ্ছে?কি মূল্য আছে বা দিচ্ছে সরকার তাদের এইসব শিক্ষা গ্রহণের জন্য । উচ্চ শিক্ষা মানে তো এই নয় যে,সবাইকেই ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়র বা ঐসকল তথাকথিত ঘুষখোর উচ্চ পদস্থ সরকারী কর্মকর্তা হতে হবে । আসলে শিক্ষার মানেই তো এটা নয়,যাইহোক এখন আর সেই প্রসঙ্গে যাচ্ছি না, তবে শেষ কথা এইটুকুই যে,এইদেশ-বাংলাদেশের মানুষেরা অন্ততঃযতদিনে শিক্ষার আসল অর্থকে উপলব্ধি করতে না পারবে,ততদিনে মনে হয় না এই দেশ বা জাতির কোন উন্নতি ঘটবে ।যেখানে এখনও এই দেশের একজন জনপ্রতিনিধির(সাংসদ বা মেয়র,চেয়ারম্যান,কাউন্সিলর) ন্যুনতম শিক্ষাগত যোগ্যতাকে পাশ কাটিয়ে চলা হয় এবং শিক্ষিত ব্যক্তিদেরকে অবমূল্যায়ন করা হয়,সেখানে ডিজিটাল বা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে ভবিষ্যতে কি ফল হবে বা এই দেশের জনগণ কতটা উপকৃত হবে ?সেটাই এখন দেখার বিষয় । +++++++++++++++ নিবন্ধঃ আমৃত্যু কামনা লেখকঃশ্রাবণসাগর যদিও এই বিষয়টি সম্পর্কে খুব সহজে কিছু বলা বা মন্তব্য করা সম্ভব নয় কারণ এখানে বিভিন্ন মানুষের বিভিন্নমুখী আকর্ষণ বা বিকর্ষণ কিংবা চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ও গুনাগুনসহ প্রয়োজনীয়তার বিষয় পরিলক্ষিত হয় প্রত্যেকের নিজস্ব স্বকীয়তায়।সহজ করে বলতে গেলে মানুষের এই আকাংখাটি সম্পুর্ণই তার নিজস্ব ব্যাপার,তারপরও সাধারণ বিবেচনায় যদি চিন্তা করা হয় তাহলে বেশ কিছু ব্যাপার আছে যা দৃষ্টি গোচর হয় প্রতিটি মানুষের ক্ষেত্রে,যেমন-শরীরবৃত্তীয় আকর্ষণ বা জৈবিক প্রবৃত্তি ও খাদ্য বা পানীয়র প্রতি দূর্বলতা কিংবা শিক্ষা,বিনোদন(ইতিবাচক বা নেতিবাচক) ও ভ্রমণের প্রতি মোহ ইত্যাদি। অথচ আশ্চর্য যে,এসবের কোনটাই মানুষের চিরন্তন ভাবনার বিষয়বস্তু নয় মোটেই অন্ততঃতার জীবদ্দশায় কিংবা আমৃত্যু পর্যন্ত কামনা বা লিপ্সার বিচারে,বিশেষতঃ প্রয়োজনীয়তার দিক থেকেও। অনেকেই মনে করবে যে,তাহলে হয়তো এই বিষয়টি হবে প্রেম-ভালোবাসা বা হয়তো ধর্ম-কর্ম,হ্যাঁ,কথাটি মোটেই অগ্রহণযোগ্য নয়,কারন-মানুষের এই প্রবৃত্তি গুলো মোটামুটি চিরন্তন।একজন মানুষের শারীরিক ও মানসিক দূর্বলতাী জন্য শারীরিক আকর্ষণ লোপ পেলেও প্রেম-ভালোবসার আকর্ষণে এর কোন প্রভাব পড়ে না,যেমনটি হয় ধর্ম-কর্মের ক্ষেত্রেও।অর্থাৎ তার বা তাদের বয়সের বৃদ্ধির সাথে সাথেই সৃষ্টি হয় ধর্ম-কর্মের প্রতি দূর্বার ও নিবিড় আকর্ষণ কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে,এই আকর্ষণ, লিপ্সা বা মোহ কিংবা আকাংখা সমূহগুলোর কোনটিকেই কি সম্ভব তার পক্ষে ধারন করে রাখা? কেবলমাত্র ধর্ম ব্যতীত। মনে হয় না, কারণ,ধর্মের বিষয়টিকে বিশেষ দৃষ্টিতে বিবেচনা করলেও,আমৃত্যু মানুষের কামনার ধন কেবলমাত্র একটি বিষয় বলেই মনে হয়।সেটি হলো মানুষের ধন-সম্পদ বা অর্থ লিপ্সা,যা অর্জনের জন্য মানুষেরা দেশ-বিদেশ বা দিন-রাত কিংবা শীত - গ্রীষ্ম - বর্ষা,এদের কোনোটাই তোয়াক্কা করে না।এমনকি চারিত্রিক স্খলন ও পরিশ্রম,অযথাই চেষ্টা করা ইত্যাদি ছাড়াও মুলধনের ব্যবহার কিংবা অনিশ্চয়তাসহ হাজারো প্রকার কৌশল প্রয়োগ ও ট্রেনিং কিংবা অভিজ্ঞতার সঞ্চয় ইত্যাদি নানা ধরনের আয়োজন করে থাকে আমরন।যদি বর্তমান পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ও শীর্ষ ধনী বিল গেটস কিংবা ইলোন মাস্ক-কে ১০,০০০ টাকা(100$) দান বা খয়রাত দেওয়া হয়,তাহলে হয়তো তারা সেটা গ্রহণ করবেন না বা নিবেন না,কিন্তু তাই বলে তো একজন গরীব বা অসহায় কিংবা বেকার ব্যাক্তিতো আর সেই অর্থ ফেরত দিবে না বা গ্রহণ না করে পারবেন না,সে যদি কোথাও থেকে কুড়িয়েও পেয়ে থাকেন।অবশ্য এক্ষেত্রে কিছু বিকল্প বা তথাকথিত সৎ মানুষের দেখা পাওয়া গেলেও,সাধারণ বিবেচনায় ঐসকল ব্যক্তি বর্গের কথা এড়িয়ে বিবেচনা করে বলা যায়,অর্থ -সম্পদ বা টাকার প্রতি মানুষের দূর্বলতা বা মোহ,আকর্ষণ কিংবা লিপ্সা,স্পষ্টতঃ বা সর্বপরি প্রয়োজনীয়তা,ব্যপক ও অপরিসীম।যদি সেরকমটিই না হতো তাহলে ভাবুনতো যে,ঐসব উপরোল্লিখিত ব্যাক্তিবর্গ কিংবা অনেকেই আছেন যেমন,ফেসবুক প্রতিষ্টতা বা ডোনাল্ড ট্রাম্প,লক্ম্নী নারায়ন,বাংলাদেশের তারেক জিয়া বা বসুন্ধরা শাহআলম,এইসব ব্যক্তি বর্গেরতো আর অর্থ-সম্পদ বা টাকার প্রয়োজনীয়তা বা আয়ের প্রয়োজন থাকার কথা নয়,তদুপরি তারাসহ বর্তমানে বিশ্বের প্রায় অর্থসহস্র কোটি মানুষেরা সবাই ছুটছে বা কাজ করছে কিংবা অনেকেই হয়তো চেষ্টাও করছে,দিন-রাত পরিশ্রম করছে সাধ্যমতো যে যার যার মতো করে, অর্থ আয়ের জন্য। যদি বিশিষ্ট বা শীর্ষ ঐসব ব্যক্তি বর্গকেও বলা হয় যে,তারা আর টাকা আয় করতে বা কাজ করতে পারবেন না,তাহলে কি তারা মোটেই সেটা শুনবেন?মনে হয় না,কিংবা ধরুন,হালের ধনী ফুটবলার,মেসি,রোনালডো বা এমবাপ্পে,এদেরকে যদি বলা হয় যে,তারা আর ফুটবল খেলতে পারবেন না বা খেললেও আর টাকা পাবেন না,তাহলে কি আর তারা ফুটবল খেলবেন?অথবা যদি ধরুন,একজন চাকুরিজীবিকে যদি বলা হয় যে,সে চাকুরী করে কোন টাকা পাবেন না,তাহলে কি কেহ কোন চাকরি করবেন?অথবা যে কোন কাজ বা ব্যবসা-বাণিজ্য ইত্যাদি।আর শিক্ষা গ্রহণ তো এখন সম্পুর্ণটাই অর্থ আয়ের উৎস হিসেবে পরিগনিত এবং সেই সাথে ধর্মও,যদিও সেই প্রসঙ্গে এখানে কিছুই বলবার ইচ্ছা নেই মোটেই কারণ সে বিষয়টি এখন সবারই মোটামুটি জানা।যদিও মানুষের এই অর্থ প্রীতি বা লোভকে কেহ কেহ বিভিন্ন দৃষ্টিতে বিবেচনা করে তাদের নিজ নিজ কাজকে প্রধান্য দিয়ে থাকেন,যেখানে তারা অর্থকে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু বা ক্ষমতাকে অর্থের উৎস বলে মনে করে,এইদূটোকে একত্রিত করন করার চেষ্টা করেন,যেখানে তারা তাদেরকে মানুষের কাছে নির্লোভ বা অর্থলিপ্সু হিসেবে বহিঃপ্রকাশ করতে চায় কিন্তু আসলে এটা সত্য নয় বলেই প্রতিয়মান হয়।যাই হোক এইসবকিছুর অন্তরালে যে বিষয়টি বাস্তব,সেটি হলো মানুষের এই এহেন আমরন অর্থ লিপ্সা কিংবা মোহ,এর কোনটিই মানুষের অপরাধ নয়,কারন-তার বা তাদের এই অর্থের প্রায়োজনীয়তা মূলতঃব্যক্তিগত স্বার্থে নয়,শারীরিক বা জৈবিক প্রবৃত্তি কিংবা অন্যান্য সকল চাহিদাসমূহসহ ধর্মীয় আচারনগুলো পর্যন্ত বা বলা যায় অন্যান্য সকল চাহিদা কিংবা কাজগুলো করার পেছনে তাঁর বা তাদের সকলেরই একটি বিশেষ স্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্য নিহিত থাকে কিন্তু টাকা বা অর্থ-সম্পদ ইত্যাদি অর্জন ক্ষেত্রে থাকে একটি বৃহৎ স্বার্থ বা উদ্দেশ্য। এক্ষেত্রে তার বা তাদের সকলের লক্ষ্য থাকে নিজের পরিবার বা আপনজন ও আত্মীয়স্বজনকে ঘিরে,অবশ্যই একজন অপরিচিত ব্যক্তি তার অপরিচিত কোন একজন ব্যক্তিকে, ১০,২০,৫০ বা ২,১'শ টাকার বেশি টাকা এমনি এমনিতে দেয়না বা দিবেনা,সে তার যত পরিমান অর্থই থাকুক না কেন?অথবা বিলগেটস কিংবা ডোনাল্ড ট্রাম্পও যে কাউকে এমনি এমনি ৫০ হাজার টাকা দিবেন না,কিংবা ২/১জন কর্মচারীকে বসিয়ে বসিয়ে বেতন দিবেন না,তাহলে একথাটি স্পষ্টতঃই সত্য যে,মানুষকে তার নিজের কাজের বিনিময়েই টাকা অর্জন করতে হয়,তাইতো মানুষের এই আকাংখাকে অন্ততঃ আমৃত্যু তার নিজস্ব কামনা মনে করা হলেও সেটিক আসলে তার নিজস্ব কামনা বলে মানা যায় না, কারণ অন্যান্য অনেক ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র স্বার্থের সাথে এর কোন তুলনাই হয় না,সার্বিকভাবে বলা যায় এটা সকলের জন্যই একটি বৃহৎ স্বার্থ,যার সীমা বা পরিসীমা নির্ণয় করা সত্যিই দুঃসাধ্য। +++++++++++++++ MEANINGLESS LIFES. writer.SRABONSAGOR.By regards Bangladeshi famous writer Soyod Mujtoba Aii written,every humen lifes r valuable,there's none can unanimous about that but specially if looks all arrounded to earth as lifes over the world like to say as anything or watch sonething as life or humen being r made by meanings only or makes to these as resources or capitales like money only,thus none can abide itselves.However we seen as anykinds of lifes or objectives like trees,fishes,cow,pets,animals or sand as brickes,buildings,vichiles,lights&devices,decayes etc.got on values on lives with death also,only humen've no values as on or without particular works or capcitances by ability,if they've not achived or builed that by education or knowledge as on labour to any purposes where've to get any chances to earn money as less or much.Obviously they(human)'ve no value after death on world but on alive if they as anyone from any aged if can't or couldn't as gotten no oportunity or collect no works then how to he makes money?As valued on him or time remining how much they lives may not to known by anyone,as references much like a riskhawpuller,daylabour or any kinds of job within business done,if they not abled or perticipates there,they how to made or brings that mention above.Without or abstain here all of circumstances ever we consider only humen,then seen much of them've no work to do or done as for wealth by more or have to get money,so they r almost unvalued or an idlely lived as meaningless life like doll. THE END.